Monday, September 21, 2026,

Sports Funda : ব্যাট তৈরি হয় কাশ্মীরে, মুনাফা যাচ্ছে অন্য রাজ্যে? ৭০০ কোটির শিল্পে ‘উইলো সংকট’

Total Views: 17

কাশ্মীরের উইলো দিয়ে তৈরি হয় বিশ্বমানের ক্রিকেট ব্যাট। কিন্তু কাঁচামালের সংকট, উইলো ক্লেফট পাচারের অভিযোগ, গাছের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং আইনি জটিলতায় প্রায় ₹৭০০ কোটির ব্যাট শিল্প বড় চ্যালেঞ্জের মুখে।

দীপঙ্কর গুহ ( Editor -In – Chief, pinnaclenews.in)

একদিকে ক্রিকেটের ময়দানে কাশ্মীরের উত্থান। অন্যদিকে ক্রিকেট ব্যাট তৈরির জন্য যে কাশ্মীরি উইলো কাঠ অপরিহার্য, সেই কাঁচামাল নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর সংকট।যে কাশ্মীর থেকে একসময় ক্রিকেট ব্যাটের কাঠ বেরিয়ে গিয়ে মিরাট ও জালন্ধরের মতো শহরে মূল্য সংযোজন হত, সেই কাশ্মীরেই এখন প্রশ্ন—আগামী দিনে ব্যাট তৈরির মতো পর্যাপ্ত উইলো কাঠ থাকবে তো?পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে শিল্পমহলের দাবি, কাঁচামালের জোগান ঠিক না হলে আগামী এক দশকের মধ্যেই বহু ব্যাট কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।আর এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি অভিযোগ—কাশ্মীরের কাঁচা উইলো ‘ক্লেফট’ বেআইনিভাবে বাইরে চলে যাচ্ছে।ফলে একদিকে কাঁচামালের ঘাটতি, অন্যদিকে বেআইনি পাচারের অভিযোগ এবং তার উপর আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁক—সব মিলিয়ে কাশ্মীরের প্রায় ৭০০ কোটি টাকার ক্রিকেট ব্যাট শিল্প দাঁড়িয়ে রয়েছে বড় প্রশ্নের সামনে।

🏏 ক্রিকেটের মাঠে কাশ্মীরের নতুন পরিচয় : পরিবর্তনের ইঙ্গিত অবশ্য ক্রিকেটের মাঠেও দেখা যাচ্ছে।প্রথমবারের মতো জম্মু ও কাশ্মীরের দল রঞ্জি ট্রফিতে আটবারের চ্যাম্পিয়ন কর্ণাটককে হারিয়ে নজর কেড়েছে।এরপর বারামুলার পেসার আউকিব নবি ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পেয়ে কাশ্মীরের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করেন। তিনি এই অঞ্চলের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সিনিয়র ভারতীয় দলে জায়গা পান—এর আগে ছিলেন পারভেজ রাসুল ও উমরান মালিক।কাশ্মীরি উইলোর তৈরি ব্যাটও পৌঁছে গিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় মঞ্চে।দক্ষিণ কাশ্মীরের সঙ্গমে তৈরি GR8 Sports-এর একটি ব্যাট দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ব্যাটার জুনায়েদ সিদ্দিকি ২০২২ টি-২০ বিশ্বকাপে ১০৯ মিটারের ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন বলে শিল্পমহলের দাবি।অর্থাৎ ক্রিকেটের দুই প্রান্তেই কাশ্মীরের উপস্থিতি বাড়ছে—খেলোয়াড় থেকে ব্যাট, দু’দিকেই।কিন্তু সেই ব্যাট তৈরির মূল উপাদানটাই যদি হারিয়ে যায়?

🌳 কাশ্মীরের উইলো—একটি প্রাকৃতিক সম্পদ, একটি শিল্প : ক্রিকেট ব্যাট তৈরির জন্য প্রয়োজন বিশেষ ধরনের উইলো।কাশ্মীরের জলবায়ু, মাটি এবং সাদা উইলো বা Salix alba-র হালকা ও shock-absorbent কাঠ ক্রিকেট ব্যাট তৈরির জন্য বিশেষ উপযোগী।প্রায় এক শতাব্দী ধরে কাশ্মীরে এই শিল্পের সঙ্গে মানুষ যুক্ত।বর্তমানে দক্ষিণ কাশ্মীরের আওয়ান্তিপোরা-বিজবেহারা-সঙ্গম অঞ্চলে প্রায় ৪০০টি ইউনিট রয়েছে বলে শিল্পমহলের দাবি।এই শিল্প থেকে বছরে প্রায় ২৫-৩০ লক্ষ ব্যাট তৈরি হয় বলে বিভিন্ন শিল্প সূত্রের দাবি।আর গোটা শিল্পের ব্যবসার পরিমাণ প্রায় ₹৭০০ কোটি।শুধু কারখানার মালিক নন—এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় ১.৫ লক্ষ মানুষ।অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র ক্রিকেটের ব্যাট তৈরির ব্যবসা নয়।এটি কাশ্মীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় অর্থনৈতিক চক্র।

⚠️ আসল সমস্যা কোথায়?
কাশ্মীর ব্যাট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পমহলের দাবি, ‘Raw Material Crisis’ বা কাঁচামালের সংকটই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা।
GR8 Sports-এর কর্ণধার এবং শিল্পমহলের অন্যতম পরিচিত মুখ ফাওজুল কবিরের বক্তব্য অনুযায়ী, কাশ্মীরের উইলো গাছের সংখ্যা দ্রুত কমছে।
একদিকে পুরনো গাছ কাটা হচ্ছে।
অন্যদিকে নতুন করে পর্যাপ্ত গাছ লাগানো হয়নি।
ফলে ভবিষ্যতের জোগান নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

🚛 উইলো ‘ক্লেফট’ কি কাশ্মীরের বাইরে পাচার হচ্ছে?এখানেই গল্পের দ্বিতীয় বড় অধ্যায়।জম্মু ও কাশ্মীরের Willow (Prohibition of Export and Movement) Act, 2000 এবং পরবর্তী বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীরের কাঁচা উইলো বাইরে চলে যাওয়া আটকানো।২০০৫ সালে উইলো ক্লেফটের বাইরে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হয়।কারণ একটি গাছ থেকে তৈরি কাঁচা কাঠ কাশ্মীরের বাইরে চলে গেলে—গাছ কাটা → কাঠ → ক্লেফট → ব্যাট তৈরি → finishing → branding → marketingএই পুরো value chain-এর বড় অংশই চলে যায় অন্য রাজ্যে।শিল্পমহলের অভিযোগ, বাস্তবে এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না।তাদের হিসাব অনুযায়ী, বছরে ১০-১৫ লক্ষ উইলো ক্লেফট বেআইনিভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরে চলে যাচ্ছে।কিছু ক্ষেত্রে বৈধ পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে লুকিয়ে এই কাঠ পাচার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

💰 কাশ্মীরে কাঠ, মুনাফা অন্য রাজ্যে?
শিল্পমহলের অভিযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল—কাশ্মীরে তৈরি কাঁচামাল বাইরে চলে যাওয়ার পর সেটি মিরাট বা জালন্ধরের মতো জায়গায় গিয়ে আরও মূল্য সংযোজন করে বাজারে আসে।
অর্থাৎ—
কাঁচামাল কাশ্মীরের → value addition অন্যত্র → বড় মুনাফাও অন্যত্র।
এক শিল্পকর্তার অভিযোগ, মিরাটে কাশ্মীরি ক্লেফট ব্যবহার করে যে ব্যাট তৈরি হচ্ছে, তার দাম অনেক ক্ষেত্রে কাশ্মীরের স্থানীয় নির্মাতাদের উৎপাদন খরচের তুলনায় অস্বাভাবিক কম।
এর ফলে বৈধভাবে ব্যবসা করা কাশ্মীরের নির্মাতাদের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ।

⚖️ আইন আছে, কিন্তু প্রয়োগের পদ্ধতি কোথায়?
এই জায়গাতেই আসে জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে পুলওয়ামা থেকে মিরাটগামী একটি ট্রাক আটক করা হয়।
ট্রাকে থাকা উইলো ক্লেফটের সংখ্যা এবং e-way bill-এর তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়।
প্রায় ৬,১৫০টি ক্লেফট আটক করা হয়।
পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে বিচারপতি M.A. Chowdhary-এর রায়ে শুধুমাত্র একটি ট্রাকের ঘটনা নয়, উইলো আইন প্রয়োগের গোটা প্রক্রিয়াটিই সামনে আসে।
রায়ের মূল প্রশ্ন ছিল—যে আইনের অধীনে কাঠ ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে, সেই confiscation-এর আইনি procedure আদৌ কার্যকর আছে কি?

আদালতের

⚖️ ২০১৯-এর পুনর্গঠনের পর তৈরি হয়েছিল আইনি ফাঁক?
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০০৩ সালের একটি সরকারি নির্দেশের মাধ্যমে তৎকালীন Jammu and Kashmir Forest Act, 1987-এর অধীনে থাকা confiscation procedure ব্যবহার করা হচ্ছিল।
কিন্তু ২০১৯ সালের পুনর্গঠনের পর সেই পুরনো Forest Act বাতিল হয়ে যায় এবং Indian Forest Act, 1927 কার্যকর হয়।
সমস্যা হল—উইলো আইন অনুযায়ী confiscation কীভাবে হবে, সেই বিষয়ে নতুন করে প্রয়োজনীয় notification বা procedure নির্ধারণ করা হয়নি।
ফলে আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন:
আইন রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা রয়েছে—কিন্তু সেই আইন কার্যকর করার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়াই যদি না থাকে, তাহলে বাজেয়াপ্তির আইনি ভিত্তি কতটা শক্তিশালী?
আদালত Forest Department-কে নতুন notification বা standing order তৈরির জন্য পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

🌱 কিন্তু আরও বড় বিপদ—উইলো গাছই কমে যাচ্ছে
স্মাগলিং বন্ধ করলেই কি সমস্যা মিটবে?

শিল্পমহলের উত্তর—না।
কারণ মূল সমস্যা আরও গভীরে।
কাশ্মীর, মিরাট ও জালন্ধরের ব্যাট শিল্পের চাহিদা মেটাতে বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ ক্লেফট প্রয়োজন বলে শিল্প সূত্রের দাবি।
আর সেই উৎপাদন বজায় রাখতে বিপুল সংখ্যক উইলো গাছ দরকার।
উইলো দ্রুত বেড়ে ওঠা গাছ নয়।
একটি গাছ বাজারযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছতে প্রায় ২০-২৫ বছর সময় লাগতে পারে।
ফলে আজ গাছ লাগালে আগামী বছর তার ফল পাওয়া যাবে না।

🍎 উইলোর জায়গায় আপেল
কাশ্মীরের কৃষি ব্যবস্থার পরিবর্তনও উইলো সংকটের অন্যতম কারণ।
একসময় নদী, খাল, জলাভূমি ও সেচনালার পাশে প্রচুর উইলো লাগানো হত।
কিন্তু কৃষকের কাছে আপেল অনেক বেশি লাভজনক।
ফলে বহু জায়গায় উইলো কেটে আপেল বাগান তৈরি হয়েছে।
এক কৃষকের বক্তব্যের সারমর্ম—
উইলো বড় হতে সময় নেয়, কিন্তু তার দাম কৃষকের কাছে সেই অনুপাতে লাভজনক নয়।
অন্যদিকে ব্যাট তৈরির পর সেই কাঠের মূল্য বহুগুণ বেড়ে যায়।
এখানেই তৈরি হয়েছে কৃষক এবং শিল্পের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্য।

🌊 জলাভূমি শুকোলে উইলোও হারায়
উইলোর সঙ্গে কাশ্মীরের জলাভূমি ও নদী ব্যবস্থার সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।
উইলোর shallow root system-এর কারণে পর্যাপ্ত surface ও near-surface water প্রয়োজন।
গত কয়েক দশকে বিভিন্ন জলাশয় ও জলাভূমির পরিবর্তন, কৃষির ধরন বদল এবং জলস্তর কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে উইলো চাষে।
ডাল লেকের আশপাশেও অতীতে বিপুল সংখ্যক উইলো গাছ কাটা হয়েছিল।
এখন নজর রয়েছে Wular Lake-এর দিকে।
Wular-এর ecological restoration-এর অংশ হিসেবে নির্বাচিত উইলো গাছ সরানোর কাজ হয়েছে এবং আরও কাজ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে।
তবে পরিবেশবিদদের কাছে প্রশ্নটি শুধু গাছ কাটার নয়—
নতুন গাছ কোথায়, কতটা এবং কত দ্রুত লাগানো হচ্ছে?

🌱 সরকার কি এবার উদ্যোগী?

কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সাম্প্রতিক সফরের পর শিল্পমহল সরকারের কাছে একাধিক দাবি জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এর মধ্যে ছিল—নতুন করে উইলো plantationক্লেফট পাচার বন্ধ করাশিল্পাঞ্চলে Fire StationTrauma Centreশিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি raw-material policyএর পর Forest Department প্রায় ১,২০০ হেক্টর marshland-এ উইলো plantation-এর পরিকল্পনা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এর পাশাপাশি বিজবেহারা অঞ্চলে আরও জমিতে plantation এবং social forestry-র আওতায় planting-এর পরিকল্পনা রয়েছে।দপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রায় ১৫-২০ বছরের।কারণ উইলো শিল্পকে বাঁচাতে আজকের planting-ই আগামী দিনের raw material security তৈরি করবে।

🔥 আসল প্রশ্ন: কাশ্মীর কি নিজের ব্যাট শিল্প ধরে রাখতে পারবে?

সমস্যাটা তাই শুধুমাত্র স্মাগলিং নয়।এটা একই সঙ্গে—কাঁচামাল + কৃষি + পরিবেশ + আইন + প্রশাসন + শিল্পনীতি + কর্মসংস্থান + value addition-এর প্রশ্ন।কাশ্মীরের কাছে এমন একটি প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, যার উপর দাঁড়িয়ে তৈরি হয়েছে ₹৭০০ কোটির একটি শিল্প।কিন্তু সেই সম্পদ যদি কমতে থাকে, আর কাঁচামাল যদি বেআইনি পথে বাইরে চলে যায়, তাহলে শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না।প্রয়োজন—নতুন plantation।কৃষকদের incentive।কঠোর enforcement।স্বচ্ছ confiscation procedure।স্থানীয় value addition।এবং দীর্ঘমেয়াদি industrial policy।কারণ কাশ্মীর যদি শুধু কাঠ বিক্রি করে, অন্যরা যদি সেই কাঠ দিয়ে ব্যাট তৈরি করে কোটি কোটি টাকার বাজার দখল করে, তাহলে কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সম্পদের প্রকৃত অর্থনৈতিক মূল্য কে পাবে?

🎯 শেষের সেই প্রশ্ন : একদিকে কাশ্মীরের ক্রিকেটাররা জাতীয় স্তরে উঠে আসছেন।কাশ্মীরি উইলো দিয়ে তৈরি ব্যাট যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।অন্যদিকে সেই ব্যাটের মূল কাঁচামালই ধীরে ধীরে সংকটে।প্রায় ৪০০টি manufacturing unit, প্রায় ₹৭০০ কোটি টাকার শিল্প এবং বিপুল কর্মসংস্থান এখন নির্ভর করছে একটি প্রশ্নের উপর—“উইলো থাকবে তো, ব্যাট থাকবে?”আর তার থেকেও বড় প্রশ্ন—কাশ্মীরের উইলো থেকে তৈরি হওয়া মূল্যের সিংহভাগ কি কাশ্মীরেই থাকবে, নাকি কাঁচামাল যাবে একদিকে আর মুনাফা অন্যদিকে?এই প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করবে কাশ্মীরের ক্রিকেট ব্যাট শিল্পের আগামী দশক।

Kashmir WillowKashmir Cricket BatKashmir Willow CrisisKashmir Bat IndustryKashmir Willow SmugglingCricket Bat IndustryKashmir CricketKashmir Willow CleftKashmir Bat ManufacturersKashmir Economy

কাশ্মীরের উইলোকাশ্মীরের ক্রিকেট ব্যাটকাশ্মীরের ব্যাট শিল্পউইলো কাঠ পাচারউইলো ক্লেফটকাশ্মীর উইলো সংকটকাশ্মীর ক্রিকেটক্রিকেট ব্যাট শিল্পকাশ্মীরের অর্থনীতিকাশ্মীরের কাঠ

Share with

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *