শুরু হয়ে গেল মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেট। ছোট্ট গ্ল্যামার ঠাসা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সঙ্গে ব্যাঙ্গালোর – মুম্বইয়ের টক্কর। শেষ হাসি স্মৃতিদের।
পিন্নাকলনিউজ ডেস্ক :
ম্যাচটি ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স উইমেন (MI-W) বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু উইমেন (RCB-W) দলের মধ্যে । হারপ্রীত বনাম স্মৃতির। মুম্বই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তোলে। বিপক্ষের নাদিন ডি ক্লার্ক ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। এটাই বড় স্কোর করতে বাধা দেয় মুম্বইকে।

তারপর রান তাড়া করতে নেমে আরসিবি একসময় বেজায় চাপে পড়ে যায়। কিন্তু সেই নাদিন! তিনি অপরাজিত ৪৪ বলে ৬৩ রান করে দলকে জয়ের গন্ডি টপকে দেন । খেলা শেষ ওভারে নিস্পত্তি হয়। তাই ছিল ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত। ম্যাচ জিততে শেষ ওভারে ৪ বলে ১৮ রান দরকার । নাদিন ক্রিজে। ন্যাট সিভার-ব্রান্টের বলে পরপর ৬, ৪, ৬, ৪ ! চারটি বলে ২০ রান তুলে নেন। এবং আরসিবিকে ৩ উইকেটে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। এই পারফরম্যান্সের জন্য তিনি প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।

নস্টালজিয়া। এবি ডি ভিলিয়ার্সের আইপিএলে আরসিবি-র আইকনিক ক্রিকেটার বলে ফ্যানরা মনে রেখেছে। তাঁরই উত্তরাধিকারী নাদিন ডি ক্লার্ক ! ডব্লিউপিএলে এই অলরাউন্ডার দক্ষিণ আফ্রিকানদের চাপের মুহূর্তে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের আরও এক নমুনা তুলে ধরলেন
নাদিন ডি ক্লার্কের বোলিংয়ে ( ৪/২৬) এবং ব্যাটিংয়ে (৪৪ বলে অপরাজিত ৬৩ রান) সাহায্যে আরসিবি এবারের টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে রোমাঞ্চকরময় অবস্থায় ৩ উইকেটে হারিয়েছে। ম্যাচের শেষে অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা, নাদিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। স্মৃতি বলেছেন যে, নাদিন ব্যাট- বল দিয়ে সবকিছু করে দিয়েছেন। এটাই আরসিবি মহিলা দলের ফ্যানদের মধ্যে নুতন করে উদ্দীপনা বাড়িয়ে দিয়েছে।