ভোট ঘোষণা হওয়ার পর Election Commission of India পশ্চিমবঙ্গে একাধিক শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু কেন একই পদক্ষেপ দেখা গেল না Kerala, Tamil Nadu এবং Puducherry-তে? এই প্রতিবেদনে রয়েছে তার বিশদ বিশ্লেষণ।
দীপঙ্কর গুহ, এডিটর ইন চিফ ( pinnaclenews.in)
দেশের প্রধানমন্ত্রী এই পর্বে সংসদে একদিনও মুখ দেখাননি, আর সেই একই সপ্তাহে ঘুরে বেড়িয়েছেন নির্বাচনী রাজ্যগুলোয় — কেরলাম, তামিলনাড়ু, অসম, পশ্চিমবঙ্গ।“সরকারি অনুষ্ঠান” বলে চালিয়ে দিচ্ছেন, কিন্তু সবাই জানে এটা খোলা প্রচার, ভোটের মাঠ গরম করা। সংসদ চলছে, বিরোধীরা চিৎকার করছে, বিতর্ক হচ্ছে। কিন্তু যিনি দেশ চালান বলে দাবি করেন, তিনি কোথায়?
তিনি র্যালিতে, হেলিকপ্টারে, স্টেজে — ভোটারদের সামনে “উন্নয়নের” গল্প ফাঁদতে। আর মজার ব্যাপার — মোদিজির এই “সরকারি সফর” শেষ হতেই নির্বাচন কমিশনার গ্যানেশ কুমার ঘোষণা করে দিলেন নির্বাচনের তারিখ ! মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু হয়ে গেল। যেন ঠিক সময়মতো সবকিছু সাজানো — প্রধানমন্ত্রীর প্রচার শেষ, এবার কমিশনের পালা।
একে কি নিরপেক্ষতা বলে?নাকি এটা খোলা চোখে দেখা “সমন্বয়”? যখন প্রধানমন্ত্রী সংসদকে ফাঁকি দিয়ে ভোটের মাঠে নামেন, আর নির্বাচন কমিশন সেই ফাঁকির পরেই মডেল কোড চালু করে , তখন সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন জাগে: এ দেশের গণতন্ত্র কি এখনো জীবিত আছে, নাকি শুধু একটা শো-পিস হয়ে গেছে? যারা “দেশ প্রথম” বলে চেঁচান, তারাই সংসদকে অপমান করছেন। যারা “নিরপেক্ষতা”র কথা বলেন, তারাই সময়মতো সুবিধা দিচ্ছেন। এই নোংরা খেলা আর কতদিন চলবে? জনগণের রক্ত গরম হচ্ছে — আর সেই আগুন একদিন সব পুড়িয়ে ছাই করে দেবে। চুপ করে থাকবেন না। প্রশ্ন করুন। চিৎকার করুন। কারণ এ দেশ আমার – আপনার। এখনো আপনার হাতেই আছে।
কেন শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বড় প্রশাসনিক বদলি?ভোট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় নড়াচড়া শুরু হয়েছে। Election Commission of India পশ্চিমবঙ্গে একাধিক শীর্ষ আমলাকে সরিয়ে দিয়েছে। Chief Secretary, Home Secretary এবং পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।
কিন্তু একই সময়ে ভোট হচ্ছে Kerala, Tamil Nadu এবং Puducherry-তেও।প্রশ্ন উঠছে—তাহলে সেখানে কেন একই ধরনের বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না?নির্বাচন কমিশনের যুক্তিনির্বাচন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে Model Code of Conduct কার্যকর হয়।এই সময়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব থাকে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখা। তাই যেসব অফিসার—দীর্ঘদিন একই জায়গায় পোস্টেডনির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্তঅথবা যাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছেতাদের বদলি করার ক্ষমতা কমিশনের আছে।
পশ্চিমবঙ্গ কেন আলাদা? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাস অন্য অনেক রাজ্যের তুলনায় বেশি সংঘাতপূর্ণ। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র সরকার এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ প্রায়ই জাতীয় সংবাদে উঠে আসে।সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন হয়তো এখানে প্রশাসনিক স্তরে বেশি সতর্কতা দেখাতে চাইছে।তবু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছেভারতের অন্য রাজ্যেও তো একই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।তবু কেন—পশ্চিমবঙ্গেই এত দ্রুত শীর্ষ প্রশাসনিক বদলি?Chief Secretary স্তর পর্যন্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হল?
এই প্রশ্নের উত্তরই হয়তো আগামী নির্বাচনের রাজনৈতিক আবহ অনেকটাই নির্ধারণ করবে। শেষ কথাপশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন বরাবরই শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, প্রশাসনিক পরীক্ষাও। এবার নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত সেই পরীক্ষাকে আরও তীব্র করে তুলল।
আপনার মত কী? “ আপনার মতে নির্বাচন কমিশন ঠিক করছে, না বাড়াবাড়ি করছে ? ”
1️⃣ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক; 2️⃣ পশ্চিমবঙ্গে কড়া ব্যবস্থা দরকার; 3️⃣ এটা রাজনৈতিক বার্তা; 4️⃣ সব রাজ্যে একই নিয়ম হওয়া উচিত।
লিখুন কমেন্ট সেকশনে।
#West Bengalelection2026 #ElectionCommission #transferIAS #IPStransfer #election #MamataBanerjeeelection #newsIndia #electionadministration #indianpolitics #follwer