সব প্রযুক্তির “কিং” তিনিই, বাদশা খান!
সদ্য সিনিয়র সিটিজেন হয়েছেন কিং খান – শাহরুখ। ষাটের বাদশা এখন। জীবনের কত ঘাত প্রতিঘাত তিনি সামলেছেন। চড়াই-উৎরাই দিয়ে তাঁকে জীবনের প্রতি পথে হাঁটতে হয়েছে। তবুও তিনি আজও বলিউডের বাদশা। সাল্লু ভাই – সলমন খান এখনো ভাইজানই আছেন। সঞ্জয় দত্ত – সঞ্জুবাবা। কিন্তু শাহরুখ খানের মতো হাইটেক বলিউড সেলেব এখনো কেউ হয়ে উঠতে পারলেন না।
এক্কেবারে হালের একটা নমুনা দিয়ে সাজানো এই প্রতিবেদন। তিনি এক নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজিট্যাল প্ল্যাটফর্মে নিজের ফ্যানদের অপেক্ষার প্রহর গুনতে বাধ্য করলেন! বাদশার কোনও সিনেমা রিলিজ হচ্চে, এটা আগে থেকে জেনে অনেকেই ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখতে ভিড় করে। এটা আজ পুরোনো রীতি। অভিনব কিছু নয়। অভিনব কীর্তি কি করে দেখালেন শাহরুখ খান আর তার ছেলে আরিয়ান খান।
এতদিন আমরা কি করে এসেছি আর কি করতে দেখেছি? রিল বানিয়েছি আর মেটা অর্থাৎ ফেসবুকে আপলোড করেছি। সকলের মাঝে ছড়িয়েছে। কখনো সেটি ভাইরালও হয়েছে। এবার খান বাবা ছেলে মিলে আপলোড করলেন যা পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করা। অর্থাৎ এই রিল দেখার জন্য আপনাকে প্রথমে কাউন্টডাউন অনুযায়ী অপেক্ষা করতে হবে। কত ঘন্টা পর এই রিল পাবলিকলি দেখতে পাওয়া যায়। আর একটা সামান্য অর্থ দিয়ে পাগল ফ্যানেরা বা অন্ধ ভক্তরা এই রিলের পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে শুরু করলেন। অর্থাৎ “আমার বানানো বিশেষ দেখ।” পয়সা ফেকো, তামাশা দেখো!
টেকনোলজি জেনে তার সঠিক ব্যবহার করার দৌড়ে কোথাও যেন বাদশা খান অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। সঙ্গে তার টিম আর তার ছেলে মেয়েরা। ছেলে আরিয়ান বাবা শাহরুখকে নিয়ে এই নয়া ভাবনার রিল নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছন। এই ফান্ডা দিয়ে যাচাই করা যাবে, শাহরুখকে কত মানুষ প্রাণের প্রিয় মনে করে। এতদিন কী চলছিল? কিছু কিনুন ডেবিট/ ক্রেডিট কার্ডে। আপনি গিফট পাবেন। খান বাপ – বেটা দেখালেন: ” আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন, আপনাদের সামনে জাদু দরজা আমরা খেলবো” । বলিয়ারি ভাবনা। মেটাতে থুরি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে এ জিনিষ নিয়ে কাজ করার কথা কজন সেলেব ভেবেছেন? খান – পরিবার করে ফেললেন! ডিজিটাল মার্কেট এমন ভাবনায় বিহ্বল। সত্যিই, শাহরুখ আজ পর্দার বাইরেও বলতে পারেন: ” আই অ্যাম দ্য বস, আই অ্যাম দ্য বস”।