পিনাকেল নিউজ ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারাণসী (কাশী) রোপওয়ে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন (foundation stone laying) করেছিলেন ২৪ মার্চ ২০২৩ সালে। (কিছু সূত্র বলে ২০২২, এটা বলা হলেও অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে – ২০২৩)।প্রকল্পটি এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। অক্টোবর-২০২৫ থেকে ট্রায়াল চলছে এবং সম্পূর্ণ চালু হতে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি লাগতে পারে। তাই “উদ্বোধন” বলতে যদি প্রকল্পের শুরু (foundation laying) বোঝান হয় , তাহলে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীই করেছেন। পুরোপুরি চালু হলে সেই উদ্বোধনের খবর আলাদা হতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই নিয়ে তেমন কোনো তথ্য নেই।প্রকল্পটি ভারতের প্রথম একটি শহরের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট রোপওয়ে বলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই প্রজেক্টের খরচ প্রায় ৮১৫ কোটি টাকা।
x ( এক্স ) প্লাটফর্মে এই ভিডিও পোস্ট হতেই ৫ লাখ ১০ হাজার মানুষ দেখে নিয়েছে। এই রোপ ওয়ে নাকি #varanasi বারাণসীতে ৩. ৮৫ কিলোমিটার পথ শূন্যে এভাবেই ঝুলতে ঝুলতে যাবে।
যেদিন এই #video তোলা হয়, সেদিন হাল্কা হাওয়া বইছিল। তাতেই কেবল 🚡 কার এমন দুলতে থাকে, সেটা হারহিম করা করা দৃশ্য! এই যাত্রা পথে ৫ টি স্টেশন থাকবে। বারাণসী ভারতের প্রথম শহর এবং বিশ্বের তৃতীয় শহর (বলিভিয়া ও মেক্সিকোর পরে), যেখানে গণপরিবহন (Public Transport) হিসেবে কেবল কার ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই রোপওয়েটি বারাণসী ক্যান্টনমেন্ট (Varanasi Cantt) রেলওয়ে স্টেশন থেকে শুরু হয়ে গোদৌলিয়া (Godowlia) মোড় পর্যন্ত যাবে। এর প্রধান স্টেশনগুলো হলো:
বারাণসী ক্যান্টনমেন্ট: ট্রেন থেকে নেমে সরাসরি রোপওয়েতে ওঠা যাবে।
বিদ্যাপিঠ (কাশী বিদ্যাপীঠ): ভারত মাতা মন্দিরের কাছে।
রথযাত্রা: শহরের ব্যস্ততম এলাকা।
গির্জাঘর (চার্চ): কেনাকাটার প্রধান এলাকা।
গোদৌলিয়া: কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং গঙ্গার ঘাটে যাওয়ার জন্য শেষ গন্তব্য।