...
Thursday, January 29, 2026,

T20Worldcup: ভিসা সমস্যায় বাংলাদেশ সমর্থক – সাংবাদিকরা?

Total Views: 5

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশি সমর্থক এবং সাংবাদিকদের ভিসা সমস্যা

দীপঙ্কর গুহ ( এডিটর ইন চিফ) ডিজি টক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (#T20WorldCup)। ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হচ্ছে। ভারত আর শ্রীলঙ্কা – যৌথ আয়োজক দেশ। আর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের (#bangladeshcricket) প্রাথমিক পর্বের অধিকাংশ ম্যাচ ঠিক পাশের দেশের পাশের মাঠেই। কলকাতার ইডেন। ভারত আর বাংলাদেশ। দুটি দেশের ভাষা একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে অর্থাৎ কলকাতায় এক। বাংলা (#bengali )ভাষা। একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এখন আগামী বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিকভাবে অস্থিরতায় রয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগে থেকে কেন্দ্রীয় সরকার হিড়িক তুলে রেখেছে, এই বাংলায়, ও বাংলার অনুপ্রবেশকারীরা ভিড় জমিয়েছে। তাদের চিহ্নিত কর এবং ও দেশে পাঠাও। বাংলাদেশে আবার রাজনৈতিক অস্থিরতার চরমে। এমন অবস্থায় ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জন্য ভিসা (#visaissue) হয়তো মঞ্জুর করবে। কিন্তু সমর্থক এবং সাংবাদিকদের সকলের ভিসা কি মঞ্জুর হবে? এই নিয়ে ইতিমধ্যে প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এই মুহূর্তে এতটাই জটিল যে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যে সফল হওয়ার কথা ছিল তাও পিছিয়ে যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

ইডেনে (#eden ) বাংলাদেশের ম্যাচ গুলো কবে – এটা আগে দেখে নেওয়া যাক। ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ( #kolkata ) ইডেনে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুদিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিপক্ষ ইতালি। একই মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ খেলতে নামবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। মুম্বাইয়ের স্টেডিয়ামে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ খেলবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই গ্রুপে ইংল্যান্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর বাংলাদেশের মধ্যে যেকোনো দুটি দল পরের রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

প্রশ্ন এখানেই। ভাবনা এখানেই ।

সবুজ-লাল পতাকার অনুপস্থিতি: বাংলাদেশের ম্যাচ মানেই গ্যালারি জুড়ে সবুজ-লাল পতাকার সমুদ্র। সেই চিরচেনা দৃশ্যটি কি এবার গোটা ভারতে দেখা যাবে না? কলকাতার ইডেনে দেখা যাবে?

টাইগার ড্রেস-আপ: যাঁরা সারা শরীর বাঘের রঙে রাঙিয়ে (#bodypaint) স্টেডিয়ামে হাজির হন, তাঁদের অনুপস্থিতি তো গ্যালারি তাঁর প্রাণ হারাবে।মাঠের ১২ নম্বর খেলোয়াড়: এটা শুধু বাংলাদেশ বলেই নয়, যে কোনও দলের মাঠে উপস্থিত দর্শকরা হয়ে যায় সেই দলের দ্বাদশ প্লেয়ার। বাংলাদেশি সমর্থকরাও সেই দেশের শুধু দর্শক নন, তাঁরা দলের ‘১২ নম্বর খেলোয়াড়’। তাঁদের গর্জন বিপক্ষ দলের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। সেই সমর্থন থেকে বঞ্চিত হওয়া বাংলাদেশ দলের জন্য বড় ক্ষতি। বড় ধাক্কা হতে পারে।

আবেগ ও সংস্কৃতির যোগসূত্র: বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট লড়াই সবসময়ই টানটান উত্তেজনার হয়। সমর্থকদের যাতায়াত বন্ধ থাকলে সেই লড়াইয়ের আসল স্বাদটাই ম্লান হয়ে যাবে। বাংলাদেশি ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে এইসব ম্যাচ মানেই এক উৎসব। সবুজ-লাল পতাকায় ঢাকা গ্যালারি, বাঘের সাজে সাজা অগণিত ভক্ত আর গগনবিদারী চিৎকারে যখন স্টেডিয়াম কেঁপে ওঠে, তখন মনে হয় খেলাটা যেন মাঠের এগারো জনের চেয়েও বেশি কিছু। কিন্তু এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের গ্যালারিতে সেই চিরচেনা ‘টাইগার’ সাজের সমর্থকদের কি দেখা মিলবে না? লাল-সবুজের সেই রঙ যদি গ্যালারিতে না থাকে, তবে বিশ্বকাপের জৌলুস যে অনেকটাই ফিকে হয়ে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।ভাবাচ্ছে আরও অনেক কিছু।

সাংবাদিকদের ভূমিকা : খেলার মাঠের ভেতরের খবরের চেয়েও বাইরের গল্পগুলো পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেন সাংবাদিকরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম যদি সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকতে না পারে, তবে কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্ত আসল আমেজ থেকে বঞ্চিত হবে। ডিজিটাল যুগে মাঠের টাটকা খবর পাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।ক্রিকেট মানেই সম্প্রীতি আর উন্মাদনা। আমরা আশা করি দ্রুত এই ভিসা সমস্যার সমাধান হবে এবং লাল-সবুজের সমর্থকরা গ্যালারি মাতিয়ে তুলবেন। আপনারা কি মনে করেন সমর্থকদের ছাড়া বিশ্বকাপের আনন্দ কি পূর্ণতা পাবে? কমেন্টে জানান।

Share with

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *