...
Thursday, February 12, 2026,

Real Estate: ভারতীয় সেলেবদের দিলদার দুবাই !

Total Views: 3

দুবাই এখন ভারতীয় সেলিব্রিটিদের কাছে বিনিয়োগের অন্যতম প্রিয় ডেস্টিনেশন । শাহরুখ খান, অভিষেক বচ্চন বা অনিল কাপুরের মতো তারকারা সেখানে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনছেন। পিছিয়ে নেই ক্রিকেটাররাও।

রিয়েল এস্টেট ডেস্ক ( pinnaclenews.in) :

দুবাই এই মুহুর্তে ভারতীয় সেলিব্রিটি এবং ধনকুবেরদের কাছে বিনিয়োগের অন্যতম প্রিয় ডেস্টিনেশন হয়ে উঠেছে। চলতি বছরের তথ্য অনুযায়ী, শাহরুখ খান থেকে শুরু করে অভিষেক বচ্চন বা অনিল কাপুরের মতো তারকারা সেখানে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনছেন।

এর পেছনের মূল কারণ এবং আয়ের হিসাব একটু সহজভাবে বুঝে নেওয়া যাক ।

কেন ভারতীয় সেলিব্রিটিরা দুবাই বেছে নিচ্ছেন?

* ট্যাক্স-ফ্রি ইনকাম : দুবাইতে ভাড়ার ওপর কোনো ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয় না। এমনকি সম্পত্তি বিক্রির লভ্যাংশের (Capital Gains) ওপরও কোনো কর নেই। ভারতের উচ্চ কর কাঠামো থেকে বাঁচতে এটি একটি বড় সুযোগ।

* গোল্ডেন ভিসা (Residency): অন্তত ২ মিলিয়ন দিরহাম (আনুমানিক ৪.৫ – ৫ কোটি টাকা) মূল্যের সম্পত্তি কিনলে ১০ বছরের ‘গোল্ডেন ভিসা’ পাওয়া যায়। এর ফলে তারা সেখানে দীর্ঘকাল থাকতে পারেন এবং ব্যবসার সুবিধা পান।

* উচ্চ রিটার্ন (High Rental Yield): মুম্বই বা দিল্লির তুলনায় দুবাইতে ভাড়ার মাধ্যমে আয় অনেক বেশি। মুম্বাইতে যেখানে ভাড়ার রিটার্ন সাধারণত ২-৩%, দুবাইতে তা ৬% থেকে ৯% পর্যন্ত হয়।

* নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সেলিব্রিটিদের জন্য ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং হাই-প্রোফাইল নিরাপত্তা দুবাইতে অত্যন্ত উন্নত, যা তাদের সেখানে থাকতে আকৃষ্ট করে।

কত ইনকাম ও চুক্তির ধরন ? সেলিব্রিটিরা সাধারণত দুইভাবে সেখানে লাভবান হন:ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চুক্তি | অনেক তারকা (যেমন: শাহরুখ খান, আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর) সরাসরি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির (যেমন: Danube, DAMAC) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেন। বিনিময়ে তারা নগদ টাকা বা বিলাসবহুল ভিলা উপহার হিসেবে পান। |কারা আছেন এই তালিকায়? * শাহরুখ খান: পাম জুমেইরাহ-তে তাঁর নিজস্ব ভিলা রয়েছে যার নাম ‘সিগনেচার ভিলা’। * অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন: জুমেইরাহ গলফ এস্টেটে তাঁদের একটি রাজকীয় ভিলা রয়েছে। * অনিল কাপুর: আল ফুরজান এলাকায় তিনি সম্পত্তি কিনেছেন। * অন্যান্য: শিল্পা শেঠি, সঞ্জয় দত্ত, রণবীর সিং এবং বিখ্যাত ক্রিকেটারদেরও সেখানে বড় বিনিয়োগ রয়েছে।সংক্ষেপে বলতে গেলে, দুবাই এখন ভারতীয় তারকাদের জন্য কেবল ছুটি কাটানোর জায়গা নয়, বরং একটি ‘ট্যাক্স হেভেন’ এবং নিশ্চিত আয়ের উৎস।

সেলিব্রিটিরা সাধারণত দুইভাবে সেখানে লাভবান হন: ভাড়ার আয় (Rental Yield) থেকে । বার্ষিক মূল্যের ৬% – ১০%। একটি ৫ কোটি টাকার ফ্ল্যাট থেকে বছরে ৩০-৫০ লাখ টাকা ভাড়া পাওয়া সম্ভব। মূল্যবৃদ্ধি (Appreciation) ওখানে হুড়মুড় করে বেড়ে চলেছে | দুবাইয়ের প্রপার্টি মার্কেট বাজার দ্রুত বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি তৈরির আগেই (Off-plan) কিনে তৈরির পর বিক্রি করলে ১৫% – ২৫% পর্যন্ত লাভ হয়।

আর আছে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চুক্তি অনেক তারকা (যেমন: শাহরুখ খান, আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর) সরাসরি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির (যেমন: Danube, DAMAC) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেন। বিনিময়ে তারা নগদ টাকা বা বিলাসবহুল ভিলা উপহার হিসেবে পান।

কারা আছেন এই তালিকায়?

* শাহরুখ খান: পাম জুমেইরাহ-তে তাঁর নিজস্ব ভিলা রয়েছে যার নাম ‘সিগনেচার ভিলা’।

* অভিষেক ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন: জুমেইরাহ গলফ এস্টেটে তাঁদের একটি রাজকীয় ভিলা রয়েছে।

* অনিল কাপুর: আল ফুরজান এলাকায় তিনি সম্পত্তি কিনেছেন।

* অন্যান্য: শিল্পা শেঠি, সঞ্জয় দত্ত, রণবীর সিং এবং বিখ্যাত ক্রিকেটারদেরও সেখানে বড় বিনিয়োগ রয়েছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, দুবাই এখন ভারতীয় তারকাদের জন্য কেবল ছুটি কাটানোর জায়গা নয়, বরং একটি ‘ট্যাক্স হেভেন‘ এবং নিশ্চিত আয়ের উৎস।

দুবাইতে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের বর্তমান বাজার অনুযায়ী বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং লাভজনক জায়গা রয়েছে। আপনি যদি সেখানে সম্পত্তি কেনার কথা ভাবেন, তবে নিচের বিষয়গুলো আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ :

১. বিনিয়োগের প্রধান নিয়ম ও শর্তাবলী (Rules for Indians)ভারতীয় নাগরিকদের জন্য দুবাইতে প্রপার্টি কেনা এখন অনেক সহজ, তবে কিছু আইনি কাঠামো মেনে চলতে হয়: * ফ্রিহোল্ড এলাকা (Freehold Areas): ভারতীয়রা দুবাইয়ের যেকোনো জায়গায় সম্পত্তি কিনতে পারেন না। শুধুমাত্র সরকার নির্ধারিত ‘ফ্রিহোল্ড’ এলাকাগুলোতে ১০০% মালিকানা পাওয়া যায়। * গোল্ডেন ভিসা ও রেসিডেন্সি: * ২ মিলিয়ন দিরহাম (প্রায় ৪.৬ কোটি টাকা): এই পরিমাণ বিনিয়োগ করলে আপনি ১০ বছরের Golden Visa পাবেন, যা নবায়নযোগ্য। * ৭৫০,০০০ দিরহাম (প্রায় ১.৭ কোটি টাকা): এই বিনিয়োগে আপনি ২ বছরের ইনভেস্টর ভিসা পাবেন। * অফ-প্ল্যান (Off-plan) বিনিয়োগ: বর্তমানে দুবাইতে বাড়ি তৈরির আগেই (Off-plan) বুকিং দেওয়ার ট্রেন্ড খুব জনপ্রিয়। এতে কিস্তিতে টাকা দেওয়ার সুবিধা থাকে এবং কাজ শেষ হওয়ার পর প্রপার্টির দাম একলাফে অনেকটা বেড়ে যায়। * ট্যাক্স নিয়ম: দুবাইতে প্রপার্টি থেকে আয়ের ওপর কোনো ব্যক্তিগত ইনকাম ট্যাক্স বা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স নেই। তবে সম্পত্তি নিবন্ধনের সময় Dubai Land Department (DLD)-কে ৪% রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।

২. ২০২৬ সালের সেরা বিনিয়োগ এলাকা (Top Areas)বিনিয়োগের উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে এলাকাগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। কী উদ্দেশ্য – সেরা এলাকা (Areas) আর কেন কিনবেন? চড়া ভাড়ার আয় (High ROI) ভাবলে কিনতে হবে: Jumeirah Village Circle (JVC), Business Bay, Dubai Silicon Oasis এলাকায়। এখানে ভাড়ার চাহিদা তুঙ্গে এবং বার্ষিক ৭-৯% রিটার্ন পাওয়া যায়।

বিলাসবহুল জীবন ও মর্যাদা : এই এরিয়া খুঁজলে আছে –Palm Jumeirah, Downtown Dubai, Dubai Hills Estate | সেলিব্রিটিদের প্রিয় এলাকা এগুলি । প্রপার্টির দাম খুব দ্রুত বাড়ে (Appreciation)।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার (Emerging) কথা ভেবে রাখলে Dubai Creek Harbour, Dubai South, Palm Jebel Ali । এগুলো নতুন স্টাইলে তৈরি হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই এলাকার দাম কয়েকগুণ বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল ।

৩. নতুন ‘টোকেনাইজড’ রিয়েল এস্টেট নিয়ম ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে দুবাই সরকার Property Tokenisation এর নতুন নিয়ম চালু করছে। এর মাধ্যমে আপনি চাইলে পুরো একটি ফ্ল্যাট না কিনেও ডিজিটাল টোকেনের মাধ্যমে ছোট ছোট অংশে (যেমন: মাত্র ৫০ হাজার বা ১ লাখ টাকায়) বিনিয়োগ করতে পারবেন। এটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুযোগ।

৪. ঝুঁকি ও সতর্কতা : * সার্ভিস চার্জ: প্রপার্টি কেনার পর প্রতি বছর রক্ষণাবেক্ষণ বা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়, যা বেশ চড়া হতে পারে। কেনার আগে এটি যাচাই করে নিন। * কারেন্সি ফ্লাকচুয়েশন: যেহেতু আপনি দিরহামে বিনিয়োগ করছেন, তাই টাকার মানের ওঠানামা আপনার লাভের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। দুবাইতে বিনিয়োগের মাধ্যমে ‘গোল্ডেন ভিসা’ পাওয়ার নিয়মগুলো ২০২৬ সালে বেশ নমনীয় এবং বৈচিত্র্যময় করা হয়েছে। বর্তমানে আপনি কত টাকা বিনিয়োগ করছেন এবং আপনার বয়স কত, তার ওপর ভিত্তি করে ভিসার ধরন ও মেয়াদ নির্ধারিত হয়।

এবার দেখে নিন বিনিয়োগের সর্বনিম্ন পরিমাণের তালিকা দেওয়া হলো:

১. রিয়েল এস্টেট গোল্ডেন ভিসা (১০ বছর)এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, আপনি একাধিক প্রপার্টি মিলিয়েও এই সীমা স্পর্শ করতে পারেন। * সর্বনিম্ন বিনিয়োগ: ২ মিলিয়ন দিরহাম (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪.৫ – ৪.৭ কোটি টাকা)। * শর্তাবলী: * সম্পত্তিটি ‘ফ্রিহোল্ড’ এলাকায় হতে হবে। * রেডি প্রপার্টি বা অফ-প্ল্যান (নির্মাণাধীন) উভয়ই হতে পারে। * যদি ব্যাংক লোন (Mortgage) নেন, তবে ব্যাংক থেকে এনওসি (NOC) লাগবে এবং আপনার নিজস্ব ইক্যুইটি অন্তত ২ মিলিয়ন দিরহাম হতে হবে। * সুবিধা: আপনি আপনার জীবনসঙ্গী, সন্তান এবং গৃহকর্মীসহ পরিবারের সবাইকে স্পনসর করতে পারবেন।

২. নতুন ‘নমিনেশন-বেসড’ ভিসা (ভারতীয়দের জন্য বিশেষ সুযোগ)২০২৫-২৬ সালে চালু হওয়া এই নতুন নিয়মে বড় কোনো সম্পত্তি না কিনেও গোল্ডেন ভিসা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। * এককালীন ফি: ১০০,০০০ দিরহাম (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৩.৩ লাখ টাকা)। * বিবরণ: এটি মূলত পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ বা দক্ষ ব্যক্তিদের জন্য যারা কোনো বড় বিনিয়োগ ছাড়াই সেখানে বসবাসের অধিকার পেতে চান। এটি একটি ‘লাইফটাইম’ বা দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৩. রিটায়ারমেন্ট ভিসা (৫ বছর)যাঁদের বয়স ৫৫ বছরের বেশি, তাঁদের জন্য দুবাইয়ে আলাদা নিয়ম রয়েছে: * সর্বনিম্ন বিনিয়োগ: ১ মিলিয়ন দিরহাম (প্রায় ২.৩ কোটি টাকা) মূল্যের সম্পত্তি থাকতে হবে। * অথবা: ১ মিলিয়ন দিরহামের ফিক্সড ডিপোজিট থাকতে হবে। বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সকল বিনিয়োগের পরিমাণের বাইরে আপনাকে সরকারি রেজিস্ট্রেশন ফি (DLD Fee ৪%), মেডিকেল টেস্ট এবং এমিরেটস আইডি-র জন্য অতিরিক্ত ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ দিরহাম খরচ ধরতে হবে।

#realestate #investment #indiancelibrity #indiancricketer #richest #businesstycoons #dubai #Dubai_Real_Estate

Share with

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *